স্পোর্টস রিপোর্টার : দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম রঞ্জি ম্যাচে কল্যাণীতে চালকের আসনে বাংলা। ৩ পয়েন্ট তো নিশ্চিতই বুধবার আসতে পারে সরাসরি জয়। তৃতীয় দিনের শুরুতে দু’জনেই সাবলীল ব্যাটিং করেন। সুদীপ নিজের রান ১২২ থেকে বাড়িয়ে ১৩৩-এ নিয়ে যান। ২২১ বলের ইনিংসে তাঁর সংগ্রহে ছিল ১৬টি চার ও একটি ছয়। কিন্তু দিবিজ মেহরার বলে সুদীপের আউট হওয়ার পর বাংলার ব্যাটিংয়ে প্রথম বড় ধাক্কা লাগে। অন্য দিকে, অভিষেকও নিজের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। সোমবারের ১১৪ রানের সঙ্গে মঙ্গলবার আরও ৩৫ রান যোগ করে ১৪৯-এ পৌঁছন তিনি। তবে দেড়শোর দোরগোড়ায় পৌঁছেও সেই মাইলফলক স্পর্শ করা হয়নি তাঁর।
হৃতিক শোকিনের বলে আউট হন অভিষেক। দুই ব্যাটারই ব্যক্তিগত রান বাড়ালেও তাঁদের জুটি ভাঙার পর আর নতুন করে বড় পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি। অভিষেক ও সুদীপের ব্যাটিংয়ে যে ভিত তৈরি হয়েছিল, তা কাজে লাগিয়ে বাংলার ইনিংসকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু তাঁদের বিদায়ের পর দিল্লির বোলাররা ক্রমশ ম্যাচে ফিরে আসেন।অভিষেক পোড়েল ও সুদীপ ঘরামির দুরন্ত শতরানের পর বাংলার ইনিংসকে আরও বড় করার সুযোগ ছিল। কিন্তু দুই ব্যাটার ফিরে যাওয়ার পর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না বাংলা। সুমন্ত গুপ্ত অর্ধশতরান করে লড়াই চালালেও শেষ দিকে অন্য ব্যাটারদের কাছ থেকে রান এল না। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে প্রত্যাশিত রানের গতি ধরে রাখতে ব্যর্থ হল দল।মঙ্গলবার ইনিংস শেষ হয় ৪২৯ রানে। অর্থাৎ, শেষ সাত উইকেট হারিয়ে আরও ১২৫ রান যোগ করে বাংলা। অভিষেকের ১৪৯ ও সুদীপের ১৩৩ রানের ইনিংসের পরও শেষ দিকে ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় স্কোরের সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানো গেল না.দিল্লির অধিনায়ক আয়ুষ বাদোনি। ১৮ ওভার বল করে ৩টি মেডেন-সহ ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নেন তিনি। জবাবে তৃতীয় দিনের শেষে দিল্লি তুলেছে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০১। আকাশদীপ আর মুকেশ কুমার ১ টি করে উইকেট পান। শেষদিনে লাঞ্চ শেষ হওয়ার আগেই দিল্লিকে অল আউট করার টার্গেট বাংলার।