ওঙ্কার ডেস্ক: দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে নতুন কর্মসূচি শুরু করল গুজরাত সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলের নেতৃত্বে শুরু হয়েছে ‘অপারেশন গঙ্গাজল’। এই অপারেশনে প্রথম পর্যায়েই দুই আইএএস আধিকারিকের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ করা হল। ২০১১ ব্যাচের আইএএস কে রাজেশ এবং ২০১০ ব্যাচের আইএএস গৌরব দাহিয়াকে বৃহস্পতিবার বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। সরকারি সূত্রের দাবি, তাঁদের চাকরির নথি এবং দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গুজরাত সরকারের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দুর্নীতি ও গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগ থাকা সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য। কে রাজেশের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সুরেন্দ্রনগরের জেলাশাসক থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ, মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে তিনি ২৭১টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছিলেন। জাল নথির মাধ্যমে সরকারি জমি বেআইনি ভাবে বণ্টনের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ২০২২ সালে রাজেশের প্রায় ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এরপর থেকেই তিনি সাসপেন্ড ছিলেন।
অন্য দিকে, গৌরব দাহিয়ার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মামলা ও অভিযোগের কথা উঠে এসেছে। অভিযোগ, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই সেই তথ্য গোপন করে ২০১৮ সালে তিনি অন্য এক মহিলাকে বিয়ে করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের অগস্টে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তবে দাহিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছিলেন, তাঁকে পরিকল্পিত ভাবে ফাঁসানো হয়েছে।