ওঙ্কার ডেস্ক: ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেন্সিভ রিভিশন বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল সে রাজ্যে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলতে শুরু করে এর ফলে বহু ভোটারের নাম বাদ দিতে চায় কমিশন। সম্প্রতি রাজনৈতিক কর্মী যোগেন্দ্র যাদব অভিযোগ করেন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বহু মুসলিমের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে। আর এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানালো নির্বাচন কমিশন। কমিশনের পাল্টা দাবি, বিরোধীরা মিথ্যাচার করছে।
উল্লেখ্য, এসআইআর প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতে কমিশনের দাবি, গোটা প্রক্রিয়া নির্ভুল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রাজনৈতিক দল এবং কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘মিথ্যাচার’ করছে। এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর এক জন ভোটারও বাদ পড়ার অভিযোগ করেননি। আর এই বিষয়টি প্রমাণ করে তালিকা নির্ভুল। সম্প্রতি যোগেন্দ্র যাদব এবং এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা অভিযোগ করে, বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিল ৬৫ লক্ষ নাম। তার মধ্যে ২৫ শতাংশ কেবল মুসলিম। চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ৩.৬৬ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৩৪ শতাংশ মুসলিম সম্প্রদায়ের।
যোগেন্দ্র যাদবের দাবি, প্রযুক্তির মাধ্যমে বেছে বেছে মুসলিম নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ‘ধর্মের ভিত্তিতে ভোটারদের তথ্য কমিশনের কাছে থাকে না।’ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি সূর্য কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘এসআইআর তালিকায় ভোটারদের নামের টাইপোগ্রাফিক্যাল এররগুলি আশা করি সংশোধন করা হবে।’
