ওঙ্কার ডেস্কঃ বাংলা ভাগের দাবি করেছিলেন কার্শিয়াংয়ের ‘বিদ্রোহী’ বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। তিনি বলেছিলেন, পাহাড়ি এলাকার উন্নয়নের জন্য উত্তরবঙ্গ আলাদা হওয়া প্রয়োজন। বিজেপি সেই আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। পদ্মশিবিরে ক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়ক বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ছেড়ে ্যোগ দিলেন তৃণমূলে। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে এসে আনু্ষ্ঠানিকভাবে নাম লেখালেন বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা।
বিজেপি বিধায়কের দলবদল তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আর বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার হাত ধরে পাহাড়ে নিজেদের ভিত শক্ত করতে তৎপর হবে শাসকদল। ছাব্বিশের ভোটে ঘাসফুল শিবিরের ভোটবাক্সে ভোটের পরিমাণ বাড়বে বলে আশা শাসকদলের।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন মডেলে আস্থা রেখে তৃণমূলে যোগ দিলেন বিষ্ণুপ্রসাদ। একাধিক ইস্যুতে বিজেপির উপর ক্ষোভপ্রকাশ করে তিনি জানান, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন নীতির অধীনে কাজ করব। দল যে দায়িত্ব দেবে, তা মেনে চলব। আমি গোর্খা ভাইবোনদের দ্বারা নির্বাচিত হয়েও তাঁদের জন্য কাজ করতে পারছি না। বিজেপি কথা দিয়েও কোনও কাজ করেনি।
২০২১ সালে কার্শিয়াং থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন। কিন্তু বিজেপিতে তাঁর মোহভঙ্গ হতে থাকে। তিনি দাবি করেছিলেন উত্তরবঙ্গকে আলাদা করার। প্রতিশ্রুতি মিললেও, তেমন হয়নি। ফলে বিজেপির বিরুদ্ধে তাঁর ক্ষোভ জমা হয়। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে দার্জিলিংয়ে ভূমিপুত্র প্রার্থীর দাবিতে বিজেপি ও তৃণমূলের বিরোধিতা করে নিজেই নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করেছিলেন। কিন্তু সেই লড়াই ফলপ্রসূ হয়নি। এবার একেবারে দল বদলে তৃণমূলের ছত্রছায়ায় এলেন। এবার তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার গ্রাফ কোনদিকে যায়, তা সময় বলবে।
