নির্ণায়ক, না অনির্ণায়ক
দেশের নির্বাচন কমিশন কী আতঙ্কিত ? এমন টিপ্পনি আসছে কংগ্রেস থেকে। তাদের যুক্তি, ভয় না পেলে মধ্যরাতে হঠাৎই নতুন ভোটারদের তালিকাভুক্ত করতে চটজলদি নোটিশ জারি করার নির্দেশ দেয় কমিশন ! নতুন ভোটারের প্রসঙ্গ আসতেই গত জুন মাসে বিহারে যে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী প্রায় ২.৩৭ কোটি ভোটারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল সেই প্রসঙ্গ সামনে উঠে আসছে। জেন-জি ভুক্ত এই তরুণ সমাজই এখন কমিশনের ‘আতঙ্কে’র কারণ। অন্তত বর্তমান পরিস্থিতি সেটাই বলছে। শনিবারই শেষ হয়েছে এই সমাজের মঞ্চ ককরোচ জনতা পার্টির আলটিমেটাম। সকাল থেকেই দেশ জুড়ে পথে নেমেছে তারা। দাবি, তাদের এই আন্দোলন আরও বাড়বে। এক্কেবারে সামনাসামনি হুঁশিয়ারিও, যন্তর-মন্তরের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে। তার আগে তারা শর্ত দিয়েছিল, যার প্রথমে ছিল জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। কিন্তু তা হয়নি। ফলে পথে নামছে তারা। এবার আর আন্দোলনের অভিকেন্দ্র যন্তর মন্তর নয়। এই আন্দোলন তারা ছড়িয়ে দেবে দেশের সর্বত্র। ঠিক এমন একটা পরিস্থিতি যখন শুরু হতে চলেছে, তার মধ্যে ফের ঘৃতাহুতি কমিশনের। নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশনের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি। এবং কমিশনের এই উদ্যোগকে ব্যাপক ভাবে ছড়িয়ে দিতে সমাজ মাধ্যমকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা। কিন্তু, কার অনুমোদনে নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ ? এমন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করার আগে এ বিষয়ে সংসদকে কী অবহিত করা হয়েছে ? প্রশ্ন উঠেছে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে। দুর্যোগ কী গাঢ় হচ্ছে ?