নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী হাসিরানি রথের প্রচারে হলদিয়ায় কদম তলায় জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তুললেন নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের প্রসঙ্গও। এরপরেই নন্দীগ্রামের জনতার উদ্দেশে বড় বার্তা দেন তিনি। তাঁর কথায়, নন্দীগ্রামে বিজেপি এমন ব্যবধানে জিতবে, যা কেউ কখনও কল্পনাও করেননি। এক কথায়, নন্দীগ্রামের মাটিতে যে গেরুয়া ঝড় কেবল সময়ের অপেক্ষা তা পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।
এদিন সভা শেষ করে বিজেপির বহু কর্মী সমর্থককে সঙ্গে নিয়ে হলদিয়ায় মহকুমাশাসকের দপ্তরে মনোনয়ন পেশ করেন হাসিরানী রথ। ঢাক ঢোল সহযোগে মহকুমা শাসকের অফিসে যান তিনি। এদিন জনসভা থেকে নির্বাচন ও জয় নিয়ে প্রত্যয়ী বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে এলাকার সংখ্যালঘুদের উদ্দেশেও বড় বার্তা দেন তিনি। বলেন, ‘যাঁরা আমাকে ভোট দেন না, বিজেপিকেও দেন না, মানে সংখ্যালঘুরা, তাঁদের কিছু বলতে চাই। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের সংখ্যালঘুদের কাছে একটা আবেদন করব। একটা সুযোগ এসেছে আপনাদের কাছে। আপনারা সরকারের সঙ্গে থাকবেন কি না? আপনারা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে থাকতে চান কি না? হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে চান, কাজ নিতে চান কি না? ৬ অক্টোবর, রেজিনগর আর নন্দীগ্রামে আপনাদের পরীক্ষা। আপনারা পরীক্ষায় পাশ করবেন না ফেল করবেন, আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।’
ফলে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে যে বিজেপি দুই কেন্দ্রেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে লড়াই শেষে জয় যে নিশ্চিত, তা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর হয়ত সেই কারণেই নন্দীগ্রামে দলের বহু তাবড় নেতা থাকার পরেও বহু বিবেচনা করে চন্দ্রনাথের মা’কে প্রার্থী করেছে পদ্মশিবির। ফ্লরে এমতাবস্থায় আগামী ৯ অক্টোবর হাইভোল্টেজ ওই দুই আসন কাদের দখলে যাবে, তা নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে চাপানউতোর।