ওঙ্কার ডেস্কঃ ডিএ আন্দোলনে এক ইতিবাচক মোড়। সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের দিনও বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। তবে ডিএ প্রসঙ্গ ওঠেনি। এই ঘটনার পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মনে আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়েছিল। অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে জানা গেল, চলতি মাসের শেষেই ডিএ আন্দোলনকারী সমস্ত সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নের সভাগৃহেই এই মেগা বৈঠক হবে।
‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের’ পক্ষ থেকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। যৌথ মঞ্চের অন্যতম প্রধান আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের এই সুখবর দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৩০ মে ডিএ মামলাকারী ও আন্দোলনকারী সমস্ত কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং সংগঠনের প্রতিনিধিদের নবান্নে আলোচনার জন্য ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তৃণমূল জমানায় ডিএ নিয়ে আইনি লড়াই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। ভাস্কর ঘোষ বলেছিলেন, “নতুন সরকারের কাছে সপ্তম পে কমিশন গঠনের দাবি আমাদের প্রথম থেকেই ছিল। তবে আমাদের প্রধান দাবি ছিল, পে কমিশন স্রেফ মুখে ঘোষণা করে ফেলে রাখলে চলবে না, তা যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। বিগত সরকারের মতো বছরের পর বছর যেন ফাইল আটকে রাখা না হয়। তবে নতুন সরকারকে কাঠগড়ায় দাড় করানো হচ্ছে না। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে কিছুটা সময় দিতে চাই।
নবান্ন সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নাকি নিজেও চান না সরকারি কর্মচারীদের কোনও ক্ষোভ থাকুক বিজেপি সরকারের জন্য। তাই ডিএ নিয়ে কোনও জটিলতা চান না। সে কারণেই আগামী ৩০ মে সরাসরি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মুখোমুখি বসে বকেয়া ডিএ মেটানোর একটি সুনির্দিষ্ট ‘রোডম্যাপ’ বা ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করতে চলেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ডিএ জট চিরতরে কাটবে কী না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।