ওঙ্কার ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী আসনে বসতে চলেছে। কিন্তু বিধানসভার সচিবালয়ের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হয়নি জোড়াফুল শিবিরকে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চলছে চর্চা। এই আবহে প্রাক্তন শাসক দলকে কেন বিরোধী দল হিসেবে এখনও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি তা নিয়ে মুখ খুললেন বিধানসভার সচিব সমরেন্দ্রনাথ দাস।
বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল যে চিঠিটি পাঠিয়েছিল, সেটায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে ডেপুটি লিডার হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রস্তাবটি কবে পাস করা হয়েছিল, তার কোনও উল্লেখ ছিল না। এমনকী, ওই চিঠির সঙ্গে বিধায়কদের স্বাক্ষরও ছিল না। চিঠির প্রসঙ্গে আমরা অধ্যক্ষকে জানাই। এর পর অধ্যক্ষ জানান শোভনদেববাবুকে দলনেতা নির্বাচন করেছেন যে বিধায়করা, তাঁদের স্বাক্ষর করা প্রস্তাবপত্র বিধানসভার সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।’ তবে বিধানসভা সচিবালয়ের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাবপত্র বুধবার পর্যন্ত জমা পড়েনি।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দলের বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে বৈঠক করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই বৈঠকে ছিলেন। সূত্রের খবর, দলের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিধানসভার সচিবালয়কে নতুন করে চিঠি দেওয়া হবে। পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে বিরোধী দলনেতা নিয়ে নির্বাচন নিয়ে যে জটিলতা কাটবে বলেই মনে করা হচ্ছে।