রেজিনগর: ভরা সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা করেছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর! এবার তারই কড়া জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের সমর্থনে প্রচারে গিয়ে হুমায়ুনকে তুলোধোনা করেন শুভেন্দু। জনতার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “এই লোককে ভোট দেবেন!”
হুমায়ুনের মন্তব্য টেনে শুভেন্দু বলেন, “রাজনীতিতে লড়াই হবে, তর্ক-বিতর্ক হবে, একজন জিতবে একজন হারবে। কিন্তু হুমায়ুন সাহেব বলছেন, প্রতি শুক্রবার প্রার্থনা করছি মুখ্যমন্ত্রী যেন অজিত পাওয়ারের মতো তাড়াতাড়ি উপরওয়ালার কাছে চলে যান! শত্রু হলেও মুখে এমন ভাষা আনি না।”প্রসঙ্গত, রবিবার হুমায়ুন বলেছিলেন, “যত তাড়াতাড়ি পৃথিবী থেকে বিদায় হয়, উপরওয়ালার কাছে দোয়া চাইব। তিনি যেন তাড়াতাড়ি উপরে যাওয়ার টিকিট কেটে দেন।”
এদিন হুমায়ুনকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আপনার লোকেরাই সরে গেছে। আপনি রাজনৈতিক পরিচয় দেওয়া কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীকে ছুরি মেরেছেন। মন্ত্রী থাকাকালীন রেজিনগর আপনাকে হারিয়েছিল। আশ্রয় দিয়েছিল মুকুল রায়। আপনি বিজেপির সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। শেষ আশ্রয় ছিল তৃণমূল। সেখানেও ধর্মীয় স্থানকে সামনে রেখে বিভাজনের রাজনীতি করেছেন।”
নওদার বিধায়ককে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দুর আরও প্রশ্ন, “নওদা থেকে বিধানসভায় গেছেন। এই ৫ মাসে নওদার মানুষকে কী দিয়েছেন? একটা ইটও গাঁথতে পারেননি। আগামী ৫৫ মাসেও পারবেন না। বিচারের ভার রেজিনগরের গণদেবতার।”
একই মঞ্চ থেকে তৃণমূলকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, “৫ মে মধ্যরাতে বলেছিলাম তৃণমূলের নাম-নিশান থাকবে না। ১৫০ দিনে জোড়াফুলও নেই, তৃণমূলও নেই। কে আসল, কে নকল! মমতা এআইটিসি তো গরুর গাড়ির হেডলাইট, আরেকটা ডেমোক্রেটিক টিএমসি। রেজিনগর কেন, গোটা বাংলায় এদের নাম পাবেন না। যেমন কর্ম তেমন ফল।”