ওঙ্কার ডেস্ক: মৌসমভবনের খবর অনুযায়ী দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিটওয়া’। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই ঘূর্ণিঝড় আগামী ৩০ নভেম্বর রবিবার উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে এবং উত্তর‑উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তামিলনাডু, পুদুচেরী ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের ওপর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনা মাথায় রেখে প্রশাসন ইতিমধ্যেই সতর্কতা জারি করেছে। উপকূলবর্তী এলাকায় থাকা মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে নিম্নভূমি, নদীর তীরবর্তী গ্রাম ও উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত মানুষদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই জরুরি প্রস্তুতি শুরু করেছে। স্থানীয় পুলিশ, ত্রাণ দফতর এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করছে।
ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়ার প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় নদী ও খালের জল বাড়তে পারে, যা প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আবহাওয়ার দপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিচ্ছে।
নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ডিটওয়া ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ ভারতের উপকূলবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য বড় ধরনের প্রাকৃতিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রশাসন, স্থানীয় মানুষ ও মৎস্যজীবীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা ও জরুরি প্রস্তুতি অপরিহার্য বলে মনে করা হচ্ছে।
