ওঙ্কার ডেস্ক: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত এখন আরও জোরদার হয়েছে। ফরিদাবাদ পুলিশ একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে। কারণ পুলিশ মনে করছে, দিল্লির রেড ফোর্ট মেট্রো স্টেশনের কাছে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায় উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পদার্থের সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ থাকতে পারে। ধাউজ গ্রামে একটি ভাড়া বাড়ি থেকে প্রায় ৩৬০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং আরও একটি জায়গা থেকে প্রায় ২৬০০ কেজিরও বেশি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এত বড় পরিমাণ বিস্ফোরক কোথা থেকে এল এবং কীভাবে তা জমা করা হয়েছিল সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও কর্মচারী সন্দেহের তালিকায় এসেছে। তাঁদের আর্থিক লেনদেন ও চলাফেরার ওপর নজর রাখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে গোপনে সন্ত্রাসী সংগঠনের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এই কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে অনেক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা খুব উদ্বিগ্ন। অনেকেই ভাবছেন, পড়াশোনা আর সার্টিফিকেট নিয়ে সমস্যা তৈরি হতে পারে। উচ্চশিক্ষা দপ্তরও বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, এবং এনএএসি বিশ্ববিদ্যালয়কে নোটিশ পাঠিয়েছে।
এই অভিযোগ সামনে আসার পর বড় প্রশ্ন উঠেছে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কীভাবে এত বড় সন্ত্রাসী ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে, আর প্রশাসন এতদিন তা বুঝতে পারল না কীভাবে? পুলিশ বলছে, এই ঘটনাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কোনও দোষীকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এখন সবার নজর তদন্তের দিকে। আগামী দিনে জানা যাবে, বিশ্ববিদ্যালয় সত্যিই কি সন্ত্রাসী দলের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার হচ্ছিল, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে।
