ওঙ্কার ডেস্ক: অনুমতি ছিল দোতলা বাড়ি নির্মাণের। কিন্তু নিয়মের তোয়াক্কা না করে সেটিকে চার তলায় পরিণত করা হয়। দিল্লির চাণক্যপুরীতে ভেঙে পড়া মেসবাড়ি প্রসঙ্গে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। কেন প্রশাসন আগে কোনও পদক্ষেপ করেনি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রবিবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ওই মেসবাড়ি ভেঙে পড়ার ফলে ছয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরও ১১ জন।
দিল্লি পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, বাড়িটি নিয়ম না মেনে নির্মাণ করা হয়েছিল। বাড়ির দোতলা পর্যন্ত অনুমোদন থাকলেও সেটি চার তলা বানানো হয়। সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে এটি করা হয়েছিল। বসতবাড়িকে রাতারাতি বাণিজ্যিক প্রয়োজনে ব্যবহার করা শুরু হয়েছিল বলে প্রশাসনের দাবি। তবে পুরসভার দফতর থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে থাকা সত্ত্বেও কেন পুর কর্তৃপক্ষ বাড়ির অবস্থা যাচাই করতে এলেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
রিপোর্ট অনুসারে বাড়িটির মালিক হরিরাম বনসল। তিনি ২০ বছর আগে গুরুগ্রামে চলে যান। সম্প্রতি বাড়িটি সংস্কার করে মেসবাড়িতে পরিণত করেন। সংস্কারের কাজও শেষ হওয়ার আগে বাড়িটি ভাড়া দিয়ে দেওয়া হয়। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের কাছে এটি অবস্থিত হওয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সেখানে পড়ুয়ারা থাকার জন্য যোগাযোগ করত। দুর্ঘটনার ফলে হতাহতরা অধিকাংশই কেরলম, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।