ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ১০ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে বিক্ষোভ হতে চলেছে রাজধানী দিল্লিতে। সিজেপির এই কর্মসূচি ঘিরে রণক্ষেত্রের মতো চেহারা নিতে চলেছে দিল্লি। বিক্ষোভ মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। সূত্রের খবর, ৮ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে দিল্লি পুলিশের জন্য কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২২১টি কোম্পানি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ২৩ হাজার নিরাপত্তাকর্মীকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
পুলিশ একাধিক জায়গায় রাস্তা আটকানোর পরিকল্পনা করেছে। আটক ব্যক্তিদের রাখার ব্যবস্থাও তৈরি করা হয়েছে। বিক্ষোভের দিন যাতায়াত ও থাকার ব্যবস্থার উপর নজর রাখতে পরিবহণ সংস্থা এবং আবাসন পরিষেবা প্রদানকারীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। এক রিপোর্টে দাবি, সেন্ট্রাল দিল্লির দিকে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে উবের ও ওলার মতো ক্যাব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করছে পুলিশ। নতুন বুকিং বন্ধ রাখার জন্য ওয়ো এবং হোটেলগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিজেপির বিক্ষোভের কারণে ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে একাধিক ট্রেন। শুক্রবার রাত ৯টা থেকে ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ বন্ধ রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারীদের ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। যদিও দিল্লি পুলিশের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ। শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে সিজেপি এবং অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (আইসা)। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নেমেছে ককরোচরা।