ওঙ্কার ডেস্ক: যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কড়াকড়ি শুরু হয়। শনিবার সকালে প্রতিবাদীদের উদ্দেশে খোলা চিঠি প্রকাশ করে দিল্লি পুলিশ। সেখানে আন্দোলনকারীদের অধিকার ও নিরাপত্তার পাশাপাশি পুলিশকর্মীদের মানবিক দিকটিও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে পুলিশ লিখেছে, নাগরিকদের নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার অধিকার রয়েছে। সেই অধিকার রক্ষা করার পাশাপাশি তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও পুলিশের দায়িত্ব। ইউনিফর্মের আড়ালে থাকা পুলিশকর্মীরাও সাধারণ মানুষ। তাঁদেরও পরিবার ও প্রিয়জন রয়েছেন। পোশাক আলাদা হলেও মানবিকতার জায়গায় কোনও পার্থক্য নেই—চিঠিতে এমনই বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বিক্ষোভের আগে রাতভর অভিযান চালিয়ে প্রায় এক হাজার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে ড্রোন ব্যবহার করছে পুলিশ। প্রশাসনের বক্তব্য, এই কর্মসূচির জন্য অনুমতি দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের প্রস্তুতি চলছে। মধ্য দিল্লির একাধিক এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে। এই বিধিনিষেধ অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ।
উল্লেখ্য শনিবার বিমানযাত্রার সময় সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রানকাকে আটক করা হয়েছে। ফলে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগেই আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের তরফে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়েছে।