নিজস্ব সংবাদদাতা : বাঙালির আলোর উৎসব, দীপাবলি। চারিদিক আলোর রোশনায়ে হয়ে উঠবে আলোকিত, সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন ধরনের বাজি ফাটানো। বাজির ফাটানর মধ্যে দিয়ে ছড়িয়ে পড়তে চলেছে বিষাক্ত গ্যাস বাতাসে। এই গ্যাস যুক্ত ধোঁয়া প্রশ্বাসের মধ্যে দিয়ে শরীরে প্রবেশ করলে ঘটতে পারে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, কাশি সহ ফুসফুসের বিভিন্ন অসুখ।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শব্দবাজির ব্যবহার কম হলেও আলোর বাজির মাত্রা বেড়েই চলেছে । কলকাতা সহ আশপাশেরর বাতাসে এমনিতেই দূষণের মাত্রা অধিক। আবহাওয়ার পরিবর্তনে ছড়িয়ে পড়েছে নানান ধরণের ভাইরাল অসুখ। এবার এর সঙ্গে বাজির এই বিষাক্ত গ্যাস মিশ্রণের ফলে বাড়বে আরও দূষণ। এই দূষণ এর ফলে আক্রান্ত হবে শিশুরা।
বাচ্চারা বাজি ফাটাতে চাইবেই কিন্তু বাবা মাকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। বাজি থেকে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত রাসায়নিক থেকে থাকে, যেমন আর্সেনিক, ম্যাঙ্গানিজ, সোডিয়াম অক্সালেট, আয়রন ডাস্ট, অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম অক্সালেট, বেরিয়াম নাইট্রেট, পটাসিয়াম পারকোলেট-সহ আরও পদার্থ যেগুলি বাজি ফাটানোর পর বাতাসে মিশে মানব দেহে প্রবেশ করে নিশ্বাস এর মাধ্যমে। এই অবস্থায় বাবা মায়েদের তাদের বাচ্ছাদের বারিতে রাখা প্রয়োজন। জানালা দরজা বন্ধ করে থাকা জরুরি।
বাচ্চাদের বাজি পোড়াতে হলে প্যাকাটি আগায় ফুলঝুরি, রংমশাল সহ আলোর বাজি পোড়াতে পাড়ে। কিন্তু তার মধ্যেও সাবধানতা মেনে চলতে হবে। বাজি ফাটানোর সময় বাচ্চাদের নাকে মুখে মাক্স, রুমাল বা পরিস্কার কাপড় বেঁধে তারপর বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিত। এর মধ্যে যদি শ্বাসকষ্ট দেখা যায় তখন পরিস্কার সাদা কাপড় ভিজিয়ে নাকে মুখে আলত চাপে ধরতে হবে, এছাড়া এর চেয়ে বেশি অসুস্থতা দেখা গেলে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের কাছে নিয়ে জেতে হবে। শিশুরোগ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ধোঁয়া ও বাজির রাসায়নিক মিলে এমন বাতাসে এমন দুষণ তৈরি করে যা শ্বাসের সঙ্গে টানলেই বিপদ। যখন-তখন শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে গুরুতর অসুস্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কাও থাকে। ছোটদের ক্ষেত্রে এই ধোঁয়া বিপজ্জনক। তাই যেসব বাজিতে রাসায়নিক পদার্থের পরিমান কম থাকে সেইসব বাজি ফাটান জেতে পারে, কিন্তু সেই সব বাজিও বাছাই করে তারপর কেনা যেতে পারে। তবে যে কোনো ধরনের বাজি কিন্তু ফুসফুসের জন্য ক্ষতিকর।
