ওঙ্কার ডেস্ক: তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করতে পেরে তিনি যে আনন্দিত তা গোপন করেননি চিনের প্রেসিডেন্ট। বৈঠকের পর তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাত করতে পেরে তিনি আনন্দিত। সেই সঙ্গে নয়াদিল্লি ও বেজিংকে গ্লোবাল সাউথের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য দেশ বলে অভিহিত করেছেন শি।
রবিবার চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, ভারত ও চিনের ‘বন্ধু থাকা’ এবং সুপ্রতিবেশী সুলভ সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। যাতে পারস্পরিক সাফল্যে ‘ড্রাগন এবং হাতি একসঙ্গে নাচতে পারে’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুটি দেশের দায়িত্ব নেওয়া উচিত তাদের জনগণের জীবন যাপনের মান উন্নত করা। শি জিনপিং বলেন, ‘চিন এবং ভারত প্রাচ্যের দুটি প্রাচীন সভ্যতা। আমরা বিশ্বের দুটি সর্বাধিক জনবহুল দেশ এবং আমরা গ্লোবাল সাউথেরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আমাদের উভয়ের কাঁধে আমাদের দুই দেশের জনগণের জীবন যাপনের মান উন্নত করা, উন্নয়নশীল দেশগুলির প্রতি সংহতি ও পুনর্জাগরণ প্রচার করা এবং মানব সমাজের অগ্রগতি প্রচারের ঐতিহাসিক দায়িত্ব রয়েছে।’ এদিন চিনের প্রেসিডেন্ট ভারতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে আরও বলেন, ‘গত বছর কাজানে আমাদের সফল বৈঠকের পর আপনার সঙ্গে ফের সাক্ষাৎ হওয়ায় আমি আনন্দিত। এসসিও সম্মেলনের জন্য চিন আপনাকে স্বাগত জানায়।’
উল্লেখ্য, মোদী এবং জিনপিং এর মধ্যে এর আগে বৈঠক হয়েছিল ২০২৪ সালে। সে বারে রাশিয়ার কাজানে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দুই রাষ্ট্রনেতার সাক্ষাৎ হয়েছিল। মোদি, জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সম্ভাব্য বৈঠক ঘিরে চলছে চর্চা। তিন রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কী নিয়ে আলোচনা হয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক দাদাগিরির মাঝে এই বৈঠকের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে।
