স্পোর্টস রিপোর্টার : বেঙ্গল টি২০ লিগের ফাইনাল উপলক্ষে ইডেনে এলেন রাজ্যের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণমন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁকে স্বাগত জানান সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও সিএবির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জয় দাস। মন্ত্রীর সঙ্গে ইডেনে এসেছিলেন বিধায়ক সৌরভ শিকদার।সিএবি সহ সভাপতি নীতীশ রঞ্জন দত্ত, অ্যাপেক্স কাউন্সিলের সদস্যরা, স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায়, মদনমোহন ঘোষ, প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামী, অরুণ লাল, অশোক মালহোত্রা, রুমেলি ধর, অর্চনা দাস, বিভিন্ন কমিটি, ক্লাব ও জেলা সংস্থার প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামোর বিকাশ সংক্রান্ত বিষয়ে তাঁদের আলোচনা হয়।
এদিন ক্রীড়ামন্ত্রী ইডেন ছেড়ে বেরনোর সময় ইন্দ্রনীল খাঁ বললেন, ‘সারা বিশ্বের ক্রিকেটের আঁতুরঘর ভারত। আর ক্রিকেটের ঐতিহ্যশালী এক স্টেডিয়াম ইডেন গার্ডেন্স। সেখানে এসেছিলাম বেঙ্গল টি-২০ লিগের ফাইনালে। তবে পরিবেশ প্রতিকূল আছে। বৃষ্টিতে ম্যাচ বিলম্বিত হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে খেলা হয়। শুধু কলকাতায় নয়, ঝাড়গ্রাম, কোচবিহার, জঙ্গলমহল সহ সর্বত্র যাতে ক্রিকেটের প্রসার হয় সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স সহ অন্যান্য দলগুলিতে দেখছিলাম বাঙালি সহ পশ্চিমবঙ্গবাসীর প্রতিনিধিত্ব কম হচ্ছে। আগামীদিনে বাংলার ছেলেমেয়েরাও যেন পর্যাপ্ত সুযোগ পায়, সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি খেলা দেখতে এসেছিলাম, ইনফর্মাল আলোচনা হয়েছে। এসব নিয়ে আলোচনা হয়নি। রাঢ়বঙ্গের একটা টিম খেলছে, মালদা, মুর্শিদাবাদের ছেলেমেয়েরা খেলছে। ভবিষ্যতে যাতে জেলায় খেলা ছড়িয়ে পড়ে, সেসব নিয়েই কথা হয়েছে। আমি এসেছিলাম দর্শকাসনে বসতেবাঙালিরা যেমন ফুটবল নিয়ে মাতোয়ারা থাকি, সেরকমই ক্রিকেট আমাদের প্রত্যেকের গর্ব। তো সেই ক্রিকেটের যাতে উন্নতি হয়, পশ্চিমবঙ্গের সব জায়গা থেকে যাতে ক্রিকেটারেরা উঠে আসে, তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। ঝুলনদি ছিলেন। মহিলারাও যাতে সুযোগ পান, মহিলা ক্রিকেটের উন্নতি নিয়ে কথা হয়েছে। ঝুলনদি কিছু কথা বলেছেন। অরুণ লাল, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়রা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, এরকম অনেকে ছিলেন। তাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন। সকলের সঙ্গে মত বিনিময় হয়েছে।’ ক্রীড়ামন্ত্রী আরও বললেন, ‘সমগ্র ভারতবর্ষ জুড়ে ক্রিকেটকে যেভাবে আমরা রাজনীতিমুক্ত রেখেছি, পশ্চিমবঙ্গেও ক্রিকেট সহ সব খেলাধুলোকে রাজনীতিমুক্ত হব।’