ওঙ্কার ডেস্ক: ৪ মাসের মধ্যে তৃতীয়বার, ক্যাফে খোলার পর থেকেই লাগাতার হামলা, কপিল শর্মার কানাডার ক্যাফেতে। কেউ জখম না হলেও বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্যাফে। হামলার দায় স্বীকার করেছে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সহযোগী গোল্ডি ঢিলোঁ ও কুলবীর (কুলদীপ) সিধু। দু’জনই কানাডা প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসবাদী হিসাবেই পরিচিত।
চলতি বছরের ১০ জুলাই, ক্যাফে উদ্বোধনের কয়েক দিন পর প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে। সেই সময় জানালায় গুলি চলে। এরপর ৭ অগস্ট দ্বিতীয় হামলার পর ক্যাফে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে সিদ্ধান্ত নেন কপিল শর্মা। এবার অক্টোবরের হামলা তৃতীয়। বিদেশে সাইড বিসনেস আছে, এমন সেলেবের সংখ্যা কম নয়। বারবার কপিলের ক্যাফে কেন হামলার শিকার হচ্ছেন সেই নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গুলি চালানোর পরই গোল্ডি ঢিলোঁ নামে এক ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দাবি করেন, ‘ক্যাপস ক্যাফেতে তিনটি হামলার দায় আমার। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনও শত্রুতা নেই। বলিউডের যারা আমাদের ধর্ম নিয়ে কটাক্ষ করে, তারা সাবধান থাকুন। গুলি যেকোনও দিক থেকে আসতে পারে।’
অন্যদিকে, কানাডার সারে পুলিশ সার্ভিস জানিয়েছে, তারা ঘটনাটির তদন্ত করছে। পুলিশের মুখপাত্র ইয়ান ম্যাকডোনাল্ড জানান, বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন ব্যক্তির দাবি তারা হামলার দায় নিচ্ছে। এ বিষয়েও প্রাদেশিক এক্সটরশন টাস্ক ফোর্সের সহায়তায় তদন্ত চলছে।
প্রসঙ্গত, অগস্টের দ্বিতীয় হামলার পর বিষ্ণোই গোষ্ঠীর সদস্য হ্যারি বক্সার দাবি করে, ‘কপিল শর্মার ক্যাফেতে হামলা করা হয়েছে কারণ তিনি উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে সলমন খানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।’ সলমন খান সম্প্রতি কপিলের নেটফ্লিক্স শো ‘The Great Indian Kapil Show’-এর তৃতীয় সিজনের প্রথম পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছিলেন। গ্যাংস্টার বক্সার হুমকি দেয়, যারা সালমানের সঙ্গে কাজ করবে, তাদেরও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।
গত ১০ জুলাই প্রথম হামলার দায় নেয় বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল-এর সদস্য হরজিৎ সিং লাড্ডি। তিনি দাবি করেন, কপিল শর্মা না কি এক অনুষ্ঠানে শিখদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন, তার ফলেই এই হামলা। ওয়াকিবহল মহলের দাবি, কপিল শর্মার মতো সেলিব্রিটিদের ব্যবসা মোটেও ভালভাবে নিচ্ছেন না আর তার ফলস্বরূপই ঘটনা।
