ওঙ্কার ডেস্ক: আসন্ন বিহার নির্বাচন নিয়ে সরগরম রাজনীতির ময়দান। এবার অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ীর নাম জুড়ে গেল বিহার নির্বাচনের সঙ্গে। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের এক্স হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা গেল তেমনই ছবি। সমাজমাধ্যমে তোলপাড় ফেলে দেওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যায় রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-কে সমর্থন জানাচ্ছেন অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী। কিন্তু সত্যিই ঘটনা এমনই?
বিতর্ক শুরু হতেই সমাজমাধ্যম স্পষ্ট উত্তর দিলেন মনোজ। কোনও দলের নাম না করেই তিনি জানিয়ে দেন ভিডিওটির কোনও সতত্যা নেই। এই ধরনের কাজের জন্য নির্মাতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, একটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি করা বিজ্ঞাপনের ভিডিও বিকৃত করে এই ক্লিপটি বানানো হয়েছে। মনোজ কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না করলেও এনডিএ জোটের অভিযোগ, আরজেডি-র আইটি সেলের তরফেই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছিল। বিতর্কের চর্চা বাড়তে শুরু করলে পোস্টটি মুছে দেওয়া হয় সামাজিক মাধ্যম থেকে।
প্রসঙ্গত, কড়া ভাষায় লেখা একটি পোস্টে মনোজ এই ধরনের ‘বিকৃত’ ভিডিও ছড়ানো বন্ধ করার জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি অনুরোধও করেছেন, এই ‘বিভ্রান্তিকর’ ভিডিওকে কোনও ভাবেই যেন শেয়ার না করাহয়। নিজের এক্স হ্যান্ডলে অভিনেতা লেখেন, “আমি সবাইকে জানাতে চাই যে, কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার কোনও রকম যোগাযোগ বা আনুগত্য নেই। যে ভিডিওটি ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভুয়ো। প্রাইম ভিডিয়োর জন্য করা আমার একটি বিজ্ঞাপনের অংশ কেটে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে ক্লিপটি। সাধারণ মানুষকেও অনুরোধ করব, এমন বিভ্রান্তিকর ভিডিওকে প্রশ্রয় দেবেন না।”
উল্লেখ্য, আরজেডি’র সঙ্গে অভিনেতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কানাঘুষো এই প্রথম নয়। ২০২২ সালে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের (আরজেডি) তৎকালীন সভাপতি লালুপ্রসাদ যাদবের সঙ্গে তাঁর বাসভবনে দেখা করে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন মনোজ। যদিও পরে অভিনেতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি কখনওই রাজনীতিতে যোগ দেবেন না। তিনি বলেছিলেন, “শেষবার যখন বিহারে গিয়েছিলাম, আমি আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদ যাদব এবং তাঁর ছেলে তেজস্বী যাদবের সঙ্গে দেখা করি। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় যে আমি রাজনীতিতে যোগ দেব। আমি ২০০ শতাংশ নিশ্চিত যে আমি রাজনীতিতে যাচ্ছি না। আমি অভিনেতা, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।”
