ওঙ্কার বাংলা: এবছর বাংলার পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে রয়েছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই সম্মানের আনন্দ-উদযাপনের মধ্যে শনিবার অবাঞ্ছিত ভাবে জড়িয়ে গেল রাজনৈতিক বিতর্ক। যা বাংলার চলতি রাজনৈতিক উত্তাপে কিছুটা তাপ বাড়িয়ে তুললো বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ এই জনপ্রিয় অভিনেতার বাড়িতে এদিন সশরীরে হাজির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রাক্তন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির আরেক নেতা রুদ্রনীল ঘোষও। আর সে খবর সামনে আসতেই রীতিমত শোরগোল পড়েছে। ভোটের আগে প্রসেনজিৎ’এর সঙ্গে এই সাক্ষাৎ’এর সমীকরণ কোন দিকে যেতে চলেছে সে নিয়ে রয়েছে একাদিক প্রশ্ন। যদিও এখনও এই প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই, তবে জানা গিয়েছে, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের শনিবারের এই সাক্ষাৎ ছিল একেবারেই সৌজন্যমূলক। অভিনেতা পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ায়, প্রসেনজিৎকে শুভেচ্ছা জানাতেই তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও রুদ্রনীলরা।
এদিন অভিনেতার বাড়িতে থেকে বেরিয়ে সুকান্ত জানান, ”এই সাক্ষাৎ একেবারেই রাজনৈতিক নয়। পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য প্রসেনজিৎকে সংবর্ধনা জানাতেই এসেছিলাম।” এদিন প্রসেনজিতের হাতে একটি রামলালার মূতি তুলে দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। সিনেমা জগত, অভিনয় নিয়ে মূলত তাঁদের মধ্যে কথা হয়েছে। পাশাপাশি আরও নানা ধরনের কথাবার্তাও হয়েছে তাঁদের মধ্যে। অন্যদিকে, টলিউডে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বাড়িতে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের আসা-যাওয়া নিয়ে জল্পনা বাড়ছে বিভিন্ন মহলে। এ প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমরা রাজনীতি করতে আসি নি, তাঁর কাজের প্রতি সম্মান জানানোই আমাদের উদ্দেশ্য।
বেশ খানিকক্ষণ প্রসেনজিতের বাড়িতে সুকান্ত মজুমদারসহ অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন। যদিও তিনি জানিয়েছেন এই সাক্ষাৎ শুধুমাত্রই সৌজন্যের কারণে তবুও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভোটের মুখে এই সাক্ষাৎ ঘিরে নানামহলে বাড়ছে কৌতুহল।
