ওঙ্কার ডেস্ক: অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর বনগাঁ অনুষ্ঠান বিতর্কে নয়া মোড়। সদ্য জামিনে জেলমুক্তির হয়েছিল অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা তনয় শাস্ত্রীর। আর তারপরেই এবার মিমি চক্রবর্তীকে আইনি নোটিস পাঠালেন তিনি। আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারির মাধ্যমে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে অভিনেত্রীকে। যদিও এই আইনি নোটিস সম্পর্কে অভিনেত্রীর কাছ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া আসেনি।
প্রসঙ্গত, ওই নোটিসে উল্লেখ্য করা হয়েছে প্রথমত, রাত সাড়ে ৯টায় মিমির পৌঁছনোর কথা ছিল, তবে সাড়ে ১১টায় অভিনেত্রী সেখানে পৌঁছন। স্টেজে উঠতেও দেরি হয় তাঁর। পাশাপাশি অনুষ্ঠানের পারিশ্রমিক হিসাবে মিমিকে ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। তাই ওই পারিশ্রমিক ফেরতের দাবি জানিয়েছেন তনয় শাস্ত্রী। দ্বিতীয়ত, মিমির অভিযোগের ফলে তনয় শাস্ত্রীর মানহানি হয়েছে। ক্ষতিপূরণ হিসাবে ২০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছে তার তরফে। তৃতীয়ত, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মিমিকে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইতে হবে। নতুবা মানহানি মামলার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, দেরি করে আসার কারণে মঞ্চে উঠতে পৌনে ১২টা বেজে যায় অভিনেত্রীর। রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। সেই কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তারপরেই অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগ জানিয়ে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় শাস্ত্রীদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। শনিবার সেই মেয়াদ শেষে ধৃতদের আদালতে তোলা হলে জামিন পান তনয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের দায়ের করা মামলায় তনয়কে জামিন দেয় আদালত। তার ফলে ওই সন্ধ্যায় তনয় শাস্ত্রীর জেলমুক্তি হয়। বর্তমানে তনয়ের এই আইনি নোটিস পাঠানো নিয়ে ঘটনায় নতুন করে মোড় নিয়েছে। যদিও এপ্রসঙ্গে অভিনেত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া বা মন্তব্য এখনও পর্যন্ত মেলেনি। এই ঘটনা এখন কোন দিকে যায় সেদিকেই নজর সকলের।
