ওঙ্কার ডেস্ক : বচসার সূএপাত ওষুধের দাম নিয়ে। কানপুরের একটি ওষুধের দোকানের কর্মীর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে সাঙ্ঘাতিক খেসারত দিতে হল বিতর্কের জেরে ২২ বছর বয়সি এক আইন পড়ুয়ার। উন্মত্ত দোকানকর্মীরা ওই ছাত্রের উপর চড়াও হয়। শুধু এখানেই শেষ নয়, ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাতের দু’টি আঙুল কেটে দিল, কোপ পড়ল পেটেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম শোরগোল পড়ে যায় কানপুরে।
জানা গিয়েছে, কানপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের আইনের ছাত্র অভিজিৎ সিং চান্দেল রবিবার স্থানীয় এক ওষুধের দোকানে গিয়েছিলেন ওষুধ কিনতে। ওষুধ কেনার সময় দাম নিয়ে বচসা শুইরু হয়। ওই ওষুধ দোকানের কর্মী অমর সিংয়ের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রটি। মুহূর্তেই মধ্যেই পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গিয়ে পৌঁছাই। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই দোকানের কর্মী অমর সিংয়ের সঙ্গে যোগ দেন তার ভাই বিজয় সিং এবং আরও দু’জন প্রিন্স রাজ শ্রীবাস্তব ও নিখিল। জানা গেছে, চারজন মিলেই অভিজিৎ এর ওপর চড়াও হয়।
হামলার সময় অভিযুক্তরা প্রথমেই ছাত্রের মাথায় জোরে আঘাত করে। মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে শুরু করে। ছাত্রটি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেই দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর পেট কেটে দেন। আক্রান্ত হওয়ার পরে অভিজিৎ নিজের জীবন বাঁচাতে চিৎকার করতে করতে দৌড়ে বাড়ির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের কর্মীরা। ধারালো অস্ত্রে তার হাতের দু’টি আঙুল কেটে দেয়। রক্তে ভেসে যেতে থাকে চারিদিক। অভিজিৎ এর চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় ছাত্রটিকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মাথায় ১৪টি সেলাই পড়ে। চিকিৎসকদের মতে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাঁচার আশাও ক্ষীণ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ একটি মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ৷
