ওঙ্কার ডেস্কঃ এসআইআর শুনানি পর্ব চলাকালীন ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুর। এই ঘটনার পরই নির্বাচন আধিকারিকের দপ্তর এফআইআর করার নির্দেশ দেয় বলে খবর। সেই মতো দায়ের হল এফআইআর। স্থানীয় ফারাক্কা থানায় এফআইআর দায়ের করেন ফারাক্কার বিডিও। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার এসআইআর পর্ব চলাকালীন ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এসআইআরের নাম করে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষদেরকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, শুনানির জন্য আসা মানুষজন প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে শুনানিতে হাজির হচ্ছেন। কিন্তু তাঁদেরকে নথি জমা নেওয়ার কোনও ‘রিসিভ’ দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়েই বিক্ষোভ শুরু হয়। তারপর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
ফরাক্কার তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বলেন, “এসআইআর প্রক্রিয়ায় মানুষের হয়রানির জন্য কিছু মানুষ আজ ভাঙচুর চালিয়েছেন। ফরাক্কার মানুষকে বাঁচাতে গেলে যদি গুলি খেতে হয় আমি তাতেও রাজি। কোনও ব্যক্তির ৬-৭ জন সন্তান থাকলে তাঁকে অদ্ভুত সব কাগজ দেখাতে বলা হচ্ছে। আমরা আর কোনও কাগজ দেখাবো না।” কমিশন এই বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে বিডিও অফিসে ধর্নায় বসারও হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।
প্রসঙ্গত, এসআইআরের শুনানি নিয়ে জল ঘোলা হচ্ছে বিস্তর। সাধারণ মানুষের হয়রানির শেষ নেই। সেই নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছেই। এই বিষয়ে সরব হয়েছে শাসকদল। মানুষের হয়রানি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে একাধিক চিঠিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
