
ওঙ্কার ডেস্ক: বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার তৃতীয় ঘেরি অঞ্চলে একই পরিবারের আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় এবার উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। জানা গিয়েছে বাজি কারখানা চালাতে পঞ্চায়েতের তরফে ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। ফলে এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
জানা গিয়েছে পঞ্চায়েত থেকে ইস্যু করা সাধারণ ট্রেড লাইসেন্স ছিল বণিক পরিবারের। সেটি দিয়েই তাঁরা বাজি তৈরির ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, বণিক পরিবারের সঙ্গে প্রভাবশালীদের যোগ রয়েছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, গোটা বিষয়টর তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, দীর্ঘ দিন ধরে বণিক পরিবার বাজির ব্যবসা করছে। লাইসেন্সের জন্য জেলা শাসককের দফতরে একাধিক বার আবেদন করেছিলেন পরিবারের সদস্য চন্দ্রকান্ত বণিক। কিন্তু লাইসেন্স পাননি চন্দ্রকান্ত। পরে পঞ্চায়েত থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করে বাজি তৈরি ও মজুতের ব্যবসা করতেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত বেআইনি ভাবে বাজি রাখার অভিযোগে বছর তিনেক আগে এক বার গ্রেফতার হয়েছিলেন চন্দ্রকান্ত। সেই সময় উদ্ধার করা হয়েছিল ৬৮.৫ কেজি বাজি। কিন্তু তার পরেও স্থানীয় প্রশাসনের কেন ঘুম ভাঙেনি তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
এই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অন্য দিকে মঙ্গলবার বিকেলে তিন সদস্যের ফরেন্সিক দল যায় ঘটনাস্থলে। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞেরা।