নিজস্ব সংবাদদাতা: বিহারের বৈশালী জেলার রাঘোপুরে গঙ্গায় নৌকাডুবিতে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু ও নাবালক। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও বেশ কয়েকটি দেহ উদ্ধার করা যায়নি।
জানা গিয়েছে, ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি একটি নিমন্ত্রণবাড়িতে যাচ্ছিল। মাঝগঙ্গায় পৌঁছতেই হঠাৎ সেটি ডুবে যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। রাতেই শুরু হয় উদ্ধারকাজ। নিখোঁজদের খোঁজে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরাও প্রশাসনকে সাহায্য করছেন। বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে এনডিআরএফ।
পুলিশ এখনও পর্যন্ত ৯ জন মৃতের পরিচয় জানিয়েছে। তারা সকলেই নাবালক-নাবালিকা এবং রামপুর শ্যামচাঁদ গ্রামের বাসিন্দা। মৃতদের নাম পিঙ্কি কুমারী, অঙ্কিতা কুমারী, সুনীতা কুমারী, আরিয়ান কুমার, আলিশা কুমারী, শিকি কুমারী, ভোনু কুমারী, মীরা কুমারী এবং নমন কুমার।
দুর্ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরী। নিহতদের পরিবারকে চার লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “বৈশালীর রাঘোপুরে দুর্ঘটনায় নিষ্পাপ প্রাণ হারানোর খবর দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা রইল।”
রাঘোপুরের বিধায়ক তথা আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক্স-এ তিনি লেখেন, “রাঘোপুর দিয়ারা এলাকায় নৌকাডুবির দুর্ভাগ্যজনক খবর পেয়েছি। যাঁরা ডুবে গিয়েছেন তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে উদ্ধার ও চিকিৎসার কাজ দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছি।”