ওঙ্কার ডেস্ক: বেশ কিছু দিন ধরে পলাতক ছিল। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল ১৭ ছাত্রীর শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত দিল্লির স্বঘোষিত ধর্মগুরু স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী। রবিবার ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ উত্তর প্রদেশের আগ্রার এক হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী ৫০ দিন ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। দিল্লির বসন্ত কুঞ্জ এলাকার শ্রী শারদা ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ান ম্যানেজমেন্ট নামে আশ্রমের ওই স্বঘোষিত ‘বাবা’র বিরুদ্ধে ছাত্রীরা বিস্ফোরক সব অভিযোগ আনে। ওই বাবা ছাত্রীদের ‘বেবি’ বলে সম্বোধন করত। শুধু তাই নয়, হোলির সময় তরুণী ছাত্রীদের সে প্রথম রঙ মাখাত বলে অভিযোগ। আর রঙ দেওয়ার সময় আপত্তিকর স্পর্শ করত। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, স্নানের ঘরে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছিল, যাতে তরুণীদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত সে দেখতে পারে।
প্রসঙ্গত, স্বামী চৈতন্যানন্দ সরস্বতী ওরফে স্বামী পার্থসারথির বিরুদ্ধে প্রথম ফৌজদারি মামলা হয়েছিল ২০০৯ সালে। তহবিল তছরুপ এবং প্রতারণার অভিযোগ ওঠে সে সময়। পরে ২০১৬ সালে ওই ‘বাবার’ বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আনে এক তরুণী। এবার ১৭ মহিলা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। ধারাবাহিক ভাবে শ্লীলতাহানির অভিযোগ আসায় শ্রী শ্রীঙ্গেরি মঠ ওই বাবার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে। কুকর্মে অভিযুক্ত চৈতন্যানন্দ একাধিক বই এর প্রণেতা। অতীতে বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছিল এই ‘বাবা’।
