ওঙ্কার ডেস্ক: গাজায় ইজরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতেই বিমান হাইজ্যাকের পরিকল্পনা করেছিলেন ওমানের পাইলট হামাম আল হামামি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর তদন্তকারীদের জেরায় এমনই দাবি করেছেন তিনি। গাজার মানুষের মৃত্যুর বদলা নিয়ে শহিদের মৃত্যু বরণ করতে চেয়েছিলেন বলেও হামামি জানিয়েছেন।
তদন্তকারীদের কাছে হামামি তাঁর পরিকল্পনার কথা বিস্তারিত জানিয়েছেন। ক্যাপ্টেনকে হত্যার পর বিমানটিকে তেল আভিভের দিকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের অনুমতিও নেওয়ার কথা ছিল হামামির। এরপর শেষ মুহূর্তে বিমানটিকে টার্মিনাল অথবা অন্য কোনও বিমানের সঙ্গে ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। তদন্তে এমনটা উঠে এসেছে।
ইতালির একটি সংবাদপত্রের রিপোর্ট অনুযায়ী, হামামির মূল লক্ষ্য ছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। তাঁকে হত্যার পর বিমানটিকে তেল আবিবের কোনও বহুতলে আছড়ে ফেলার পরিকল্পনা ছিল। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ককপিটে থাকা একটি কুড়াল নিয়ে ক্যাপ্টেনের উপর হামলা চালান তিনি। তবে প্রথম পরিকল্পনা সফল না হওয়ায় শেষপর্যন্ত বিমানটিকে মরুভূমিতে আছড়ে ফেলার চেষ্টা করেন হামামি। অটোপাইলট নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে জানা গিয়েছে। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে বিমানটি প্রায় ১৬ হাজার ফুট নীচে নেমে যায়। গুরুতর আহত অবস্থাতেও ক্যাপ্টেন মচ্ছর ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। একইসঙ্গে তিনি বিপদ সংকেত পাঠান। এরপর কেবিন ক্রু, যাত্রী এবং বিমানে থাকা দুই অফ-ডিউটি পাইলট মিলে হামামিকে নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে বিমানটিকে সৌদি আরবে অবতরণ করানো হয়।