ওঙ্কার ডেস্ক : হরিয়ানার উদীয়মান টেনিস খেলোয়াড় রাধিকা যাদবের খুনের তদন্তে ক্রমশ একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা ছিল, রাধিকার নিজস্ব একটি টেনিস অ্যাকাডেমি ছিল, আর সেই অ্যাকাডেমি নিয়েই বাবার সঙ্গে মতবিরোধ চলছিল। তবে গুরুগ্রাম পুলিশ শনিবার জানিয়েছে, রাধিকার কোনও স্থায়ী অ্যাকাডেমি ছিল না। পুলিশ সূত্রে খবর, বিভিন্ন জায়গায় টেনিস কোর্ট ভাড়া নিয়ে ছোট ছেলেমেয়েদের প্রশিক্ষণ দিতেন রাধিকা। আর তাতেই আপত্তি ছিল তাঁর বাবা দীপকের।
তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘‘রাধিকা নিজস্ব কোনও অ্যাকাডেমি চালাতেন না। তিনি টেনিস কোর্ট ভাড়া নিয়ে ক্লাস নিতেন। দীপক বহুবার মেয়েকে এই কাজ বন্ধ করতে বলেছিলেন। কিন্তু রাধিকা বাবার কথা শুনতে রাজি ছিলেন না। এখান থেকেই বাবা-মেয়ের মধ্যে অশান্তির শুরু।’’ রাধিকার একটি পুরনো মিউজিক ভিডিয়োও সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে পুলিশ স্পষ্ট করেছে, এই ভিডিয়োর সঙ্গে খুনের কোনও যোগ নেই। ইনস্পেক্টর বিনোদ কুমার বলেন, ‘‘২০২৩ সালে ওই ভিডিয়ো আপলোড হয়েছিল। তদন্তে দেখা যাচ্ছে, এই ভিডিয়ো নিয়ে দীপকের কোনও আপত্তি ছিল না। মূল বিরোধ তৈরি হয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও টাকার লেনদেন নিয়ে।’’
দীপক পুলিশকে জানিয়েছেন, মেয়ের এইভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে টাকা উপার্জন করা তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। এমনকি গত ১৫ দিন ধরে তিনি মানসিক দ্বন্দ্বে ভুগছিলেন বলেও দাবি করেছেন। দীপক পুলিশকে জানান, এক সময় তিনি আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা করেননি। পুলিশ জানিয়েছে, দীপকের সব দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, পারিবারিক বিরোধই রাধিকার হত্যার মূল কারণ হতে পারে। তবে তদন্ত এখনও চলছে।
