ওঙ্কার ডেস্কঃ বিমান বন্দরের সীমানার মধ্যে অবস্থিত মসজিদ ভাঙাকে ঘিরে উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরের ভিতরে থাকা ওই মসজিদে অনির্দিষ্টকালের জন্য নামাজ পাঠও বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুক্রবার মসজিদ চত্বরে জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি সেই কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন। ফলে এ দিন কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি হয়নি। সকালে বাঁকড়া এলাকায় পৌঁছে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরে সেখান থেকে বেরিয়ে জানান, আপাতত আর কোনও কর্মসূচিতে তিনি অংশ নেবেন না।
অন্যদিকে, সকাল থেকেই বাঁকড়া এলাকায় যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সে জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। বাঁকড়া মোড়-সহ সংলগ্ন এলাকায় ১৬৩ ধারা কার্যকর করা হয়েছে। ফলে চার জনের বেশি মানুষের জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। গোটা এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের প্রায় ২৫০ জন পুলিশকর্মী এলাকায় দায়িত্ব সামলাচ্ছেন।
সূত্রের খবর, শুধু পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীই নয়, যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ঘটনাস্থলে রাখা হয়েছে গার্ডরেল, জলকামান, কাঁদানে গ্যাসের শেল এবং দমকলের একটি ইঞ্জিনও। পুলিশের গাড়ি থেকে মাইকে বারবার ঘোষণা করে সাধারণ মানুষকে আইন মেনে চলার আবেদন জানানো হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বিমানবন্দর চত্বরের ওই মসজিদে নামাজ পাঠ বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি হওয়ার পর থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মসজিদে জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন। যদিও পরে তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।