নিজস্ব সংবাদদাতা,আরামবাগ: তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব জেরে তৃণমূল নেতার ফাঁসির সাজা ঘোষণার পর থেকে গোঘাটে ছড়িয়েছে উত্তেজনা , এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব জেরে ফাঁসির সাজা হয়েছতৃণমূল নেতার। । ফাঁসির সাজা ঘোষনা করেছে আরামবাগ মহকুমা আদালত। জানা গেছে, গোঘাটের নইমুদ্দিন খুনের মামলার দোষী সাব্যস্ত ১৯ জনের সাজা ঘোষণা করেছে আরামবাগ মহকুমা আদালত। সরকারি আইনজীবীর দাবি ১৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণার পাশাপাশি একজনের ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। ফাঁসির সাজা প্রাপ্ত বলদেব পাল এলাকায় তৃণমূল নেতা নামে পরিচিত।
২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই গোঘাট বিধানসভার সাওড়া ইউনিয়ন হাই স্কুলের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুন হন শেখ নইমুদ্দিন। স্কুলের অভিভাবক-প্রতিনিধি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। অভিযোগ ওঠে নইমুদ্দিনকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় গোঘাট থানায় ২৭ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়।
সোমবার মহামান্য বিচারক সিপিএম নেতা ভাস্কর রায়, গোঘাটের বর্তমান বিধায়ক বিশ্বনাথ কারক সহ সাত জনকে বেকসুর খালাস করেন এবং ১৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। মঙ্গলবার তাদের সাজা ঘোষণা হয়। মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন গোঘাটের বিধায়ক বিশ্বনাথ কারক সহ সিপিএমের ৩ জন ও ফরওয়ার্ড ব্লকের ১ জন এবং তৃণমূলের ১২ জন।
সাজা প্রাপ্ত হয়েছেন সিপিএমের এর ৬ জন- আখতার চৌধুরী, পান্নালাল মন্ডল, গাজন প্রামানিক, সন্তোষ পন্ডিত, শফিক আহমেদ, অসিত সিংহ রায়। ফরওয়ার্ড ব্লকের ১ জন- মদন ঘোষ। তৃণমূলের ১২ জন সাজা প্রাপ্ত হয়।
