ওঙ্কার ডেস্ক: তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের মসজিদের শিলান্যাস কর্মসূচিতে সৌদি আরব থেকে দুজন ক্কারী আসার কথা ছিল। অনুষ্ঠান হয়ে যাওয়ার চার দিন পর জানা গেল, সৌদি থেকে কোনও ক্কারী আসেননি। আর এ জন্য শাসকদলের নেতা তথা রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীকে দায়ী করলেন ভরতপুরের বিধায়ক। যদিও এ ক্ষেত্রে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই বলে জানান সিদ্দিকুল্লাহ।
উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় গত ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন হুমায়ুন কবীর। জানা গিয়েছিল, কর্মসূচিতে সৌদি আরব থেকে দুই ‘ক্কারী’ যোগ দেবেন। যদিও পরে জানা যায়, এ রাজ্য থেকেই দুই ক্কারী যোগ দিয়েছিলেন শিলান্যাস কর্মসূচিতে। সৌদির কোনও ক্কারী আসেননি। যে দুজন যোগ দিয়েছিলেন তাঁদের এক জন মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা, অন্য জন মেদিনীপুরের। হুমায়ুন অভিযোগ করেন, তাঁকে ঠকানো হয়েছে।
সংবাদ মাধ্যমকে ভরতপুরের বিধায়ক বলেন, এক ব্যক্তি আমাকে বলেছিলেন মক্কা থেকে দু’জন ক্কারীকে নিয়ে আসবেন। আমি সম্পূর্ণ ভরসা করে বিমানের টিকিট, খরচ পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। এখন জানতে পারছি ওঁদের দু’জনের এক জন দৌলতাবাদের, অন্য জনের মেদিনীপুরের বাসিন্দা। অন্য দিকে যে ব্যক্তির উপর এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই খন্দকার ইউসুফ নিজের দায় মেনে নিয়েছেন। তাঁর সাফাই, হাতে সময় কম ছিল। সৌদি আরব থেকে অতিথি আনা সম্ভব হয়নি। ওই দু’জনকে সৌদি আরবের বলে দাবি করা হয়নি। তবে সে সময় বলা হয়ে ওঠেনি বিষয়টি।
