অর্পিতা মুখার্জী, নয়াদিল্লি: দীপাবলি-ধনতেরাসের মরশুমে ব্যবসায় ক্ষতির আশঙ্কায় আগামী ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডি’ জোটের মেগা সমাবেশ পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন দিল্লির ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সেই আর্জিতে কর্ণপাত করতে নারাজ লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। পাল্টা সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে।
সম্প্রতি চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিটিআই)-এর তরফে রাহুলকে চিঠি লেখেন চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল। চিঠিতে বলা হয়, উৎসবের মরশুমে রামলীলা ময়দানের আশপাশের দোকানে প্রচুর মানুষ কেনাকাটা করতে আসেন। ধনতেরাসেই দিল্লিতে সোনা-রুপো, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক, গাড়ি, মিষ্টি-সহ বিভিন্ন খাতে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ব্যবসা হয়। সমাবেশ হলে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হতে পারে। তাই কর্মসূচি ১০ নভেম্বরের পর করার প্রস্তাব দেয় সিটিআই। কিন্তু সেই আর্জি মানতে নারাজ রাহুল।
সোমবার এক্স হ্যান্ডলে সেই আর্জির জবাব দেন তিনি। লেখেন, “আমরা আপনাদের ভালোবাসি, আপনাদের কথা শুনছি। সরকার মেট্রো বন্ধ করেছে, রাস্তা আটকেছে, রাজধানীতে লকডাউনের পরিস্থিতি তৈরি করেছে।” এরপরই রাহুলের বক্তব্য, “জনগণের রায় চুরি হলে কিছুই নিরাপদ থাকে না – না দোকান, না সঞ্চয়, না সন্তানদের ভবিষ্যৎ।” সবশেষে মোদিকে নিশানা করে রাহুল লেখেন, “মোদিকে বলুন, অভিযুক্ত নম্বর ৪ জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে। ৩০ সেকেন্ডেই সমস্ত বিক্ষোভ বন্ধ হয়ে যাবে।”