ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের পর প্রথম দিল্লিতে বসেছে ইন্ডি জোটের বৈঠক। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
বুধবারের বৈঠকে ২১টি বিরোধী দলের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের দাবি, বৈঠকের শুরুতেই মমতা বলেন, ভোটে পরাজয়ের পর তিনি বাড়ি থেকে বেরোতে পারছেন না। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জোটের শরিকদের পদক্ষেপ করার আবেদনও জানান তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন তৃণমূল নেত্রী। পদ্ম শিবিরকে স্বৈরাচারী বলে উল্লেখ করে বিরোধী দলগুলিকে একসঙ্গে পথে নামার আহ্বান জানান। তাঁর নিশানায় এদিন ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও। এতদিন জ্ঞানেশ কুমারকে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলে কটাক্ষ করতেন মমতা। এদিন ইন্ডি জোটের বৈঠকে তাঁকে ‘বিনাশ কুমার’ বলে আক্রমণ করেন।বৈঠকের অন্যতম আলোচ্য বিষয় ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে কর্মসূচি নেওয়া। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, মমতার লক্ষ্য শুধু জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন গড়ে তোলা নয়। বিরোধী জোটের সহযোগিতা নিয়ে এই ইস্যুকে সামনে রেখে বাংলায় ফের রাজনৈতিক জমি তৈরির চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেত্রী।
এই ক্ষেত্রে কংগ্রেসের উপরই মমতার বিশেষ ভরসা রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কারণ, ভোটচুরি নিয়ে যে ইস্যুতে মমতা এখন সরব হয়েছেন, একই বিষয় নিয়ে এর আগে কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীকেও আন্দোলনে নামতে দেখা গিয়েছিল। তবে সেই সময় তৃণমূল নেত্রী বিষয়টি নিয়ে একইভাবে সরব ছিলেন না।