ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলাদেশের সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে আছে, এবং এই নিশ্চিত জয়কে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। নির্বাচনে দলের সাফল্যের পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের এই বিজয়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য শুভেচ্ছা জানান।
শেহবাজ শরিফ তাঁর বার্তায় বলেন, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে পাকিস্তান আগ্রহী। দুই দেশের ঐতিহাসিক ও বহুমাত্রিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই বার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি-ও আলাদা বার্তায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার প্রতি সমর্থন জানিয়ে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে, বিএনপির জয়ের খবরে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েন, আন্দোলন এবং নানা প্রতিকূলতার পর এই ফলাফলকে ঐতিহাসিক বলে দাবি করছে দলটি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলীয় পুনর্গঠন এবং নির্বাচনী কৌশলই এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে সংবেদনশীল হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ বজায় ছিল। নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দুই দেশের সম্পর্ক কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আঞ্চলিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা সহযোগিতা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্নে নতুন সরকারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
