ওঙ্কার ডেস্ক: আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। সেই সঙ্গে রয়েছে গণভোটও। বাংলাদেশে নির্বাচনের দামাম বেজে গেলেও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ। কারণ মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। যার ফলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না শেখ হাসিনার দল। তবে নির্বাচনে না লড়তে পারলেও ইউনুস সরকারের পতনের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশের একদা শাসকদল। দলটির তরফে আসন্ন নির্বাচনকে বয়কটেরও ডাক দেওয়া হয়েছে।
দেশবাসীকে আবেদন জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের তরফে। ‘নো বোট, নো ভোট’ শীর্ষক আবেদনপত্রে লেখা হয়েছে- ‘ফ্যাসিস্ট ইউনুস জঙ্গি পাহারায় ভোট করাতে চায়। সেই ভোট দিতে যাবেন না। যে ব্যালটে নৌকা প্রতীক থাকবে না, যে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশগ্রহণ করতে পারবে না, সেখানে আমাদের সমর্থক কোনও ভোটারেরা কেউ ভোটকেন্দ্রে যাবেন না। ভয়-ভীতি, হত্যা, সন্ত্রাস, গ্রেফতার, হুমকি, অত্যাচার, দমন-পীড়ন, গুম, খুন, অপহরণ, নিষ্ঠুর মব সন্ত্রাস, যাই করুক না কেন, তারা ভোট দিতে যাবেন না।’
আবেদনপত্রের শেষে লেখা হয়েছে, ‘জেগে ওঠো বাংলাদেশ/ রুখে দাঁড়াও বীর বাঙালি/ হটাও ইউনুস বাঁচাও দেশ/ দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশ/ প্রহসনের নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণ মানবে না।’ হাসিনার দলের দাবি, ইউনুসকে পদত্যাগ করে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আগস্টে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন শেখ হাসিনা। গত অক্টোবরে এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা দাবি করেছিলেন, ‘লক্ষ লক্ষ মানুষ আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা ভোট বয়কট করবেন। কোনও গণতন্ত্রে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যায় না।’
