ওঙ্কার ডেস্ক: বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতে নাশকতা এবং সন্ত্রাসী কাজকর্ম রুখতে সচেষ্ট নয়াদিল্লি। বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সীমান্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে ভারতের সেনাবাহিনী। কোনও রকম অনুপ্রবেশ যাতে না ঘটে সেদিকে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা ঢাকার মাটি ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত করতে চাইছে। ইতিমধ্যে নতুন ফ্রন্ট খুলতে এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে সে।
সূত্রের খবর, এই গোটা বিষয়টি মাথায় রেখে পশ্চিমবঙ্গের ‘চিকেন নেকে’র সুরক্ষা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে শিলিগুড়িতে। রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা এসআইবি-র দফতরে হওয়া সেই বৈঠকে ছিলেন সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা। বায়ুসেনা, এসএসবি এবং সেনা গোয়েন্দা বিভাগ বৈঠকে সামিল ছিল। বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গের আইজি রাজেশ যাদব, শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর। উত্তর-পূর্ব রেলের প্রতিনিধি এবং ফরাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষও বৈঠকে ছিলেন।
গোয়েন্দারা মনে করছেন, শিলিগুড়ি করিডোরের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে মাদক ও জাল নোট পাচারের চেষ্টা করা হতে পারে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের কুর্সিতে মহম্মদ ইউনুস বসার পর পাকিস্তানের সঙ্গে ঢাকার সখ্যতা বেড়েছে। যা মাথাব্যথার কারণ নয়াদিল্লির। সম্প্রতি ঢাকা সফরে এসেছিলেন পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা। মহম্মদ ইউনুসের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে। সূত্রের খবর, সাহির শামশাদকে একটি মানচিত্র উপহার দিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। সেই মানচিত্রে ভারতের অসম এবং অন্যান্য উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই আবহে চিকেন নেকের সুরক্ষার দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে ভারত।
