ওঙ্কার ডেস্ক: আমেরিকার ইউটা ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে ভয়ঙ্কর স্নাইপার হামলার ঘটনায় নিহত প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চার্লি কার্কের হত্যাকারীকে অবশেষে ধরল এফবাআই। অভিযুক্তের নাম টাইলার রবিনসন নামের এক বছর ২২ এর যুবক। সমাজমাধ্যমে এক ম্যাসেজের কারনেই ধরা পরেছে ঐ অভিযুক্ত।
ইউটা ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা চলাকালীন হঠাৎ দূর থেকে ছোড়া গুলি গলায় এসে লাগে চার্লির। মাটিতে লুটিয়ে পড়েই প্রাণ হারান তিনি। ঘটনাটি পর দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হত্যাকাণ্ডকে “অভূতপূর্ব ও শোকাবহ” বলে উল্লেখ করেছেন এবং অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
প্রথমে তদন্তকারীরা খুব বেশি অগ্রগতি করতে পারেনি। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছিল একটি রাইফেল, একটি হাতের ছাপ এবং একটি জুতোর ছাপ। এগুলো মিলিয়ে দেখা হলেও কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম সামনে আসেনি। প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য কিংবা সিসিটিভি ফুটেজ থেকেও স্পষ্ট কোনও সূত্র পাওয়া যায়নি। ফলে তদন্ত কার্যত অচলাবস্থায় চলে যায়।
ঠিক সেই সময় সামনে আসে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘ডিসকর্ড’ নামের এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায় একটি বার্তা। সেখানে টাইলার রবিনসন নামের এক তরুণ তাঁর রুমমেটকে লিখেছিল, গুলি চালানোর পর একটি তোয়ালে দিয়ে রাইফেল মুড়ে ঝোপে ফেলে দিয়েছে। সেই বার্তাই তদন্তকারীদের সামনে হত্যাকারীর নাম প্রকাশ করে দেয়। সূত্র ধরে খোঁজ শুরু হতেই রবিনসনকে গ্রেফতার করে এফবিআই।
রবিনসনের পরিবার জানিয়েছে, সে আগে কখনও বড় অপরাধে জড়ায়নি। তার নামে রাজনৈতিক যোগসূত্রও নেই, এমনকি ভোট দেওয়ার রেকর্ডও পাওয়া যায়নি। পুলিশ এখনও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে, কী উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছিল। আদালতে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হবে শিগগিরই।
