ওঙ্কার ডেস্কঃ পুলিশ ঠিক সময়ে খবর পেলে হয়তো প্রাণে বেঁচে যেতেন দীপু দাস। এমনটাই জানিয়েছেন সে দেশের পুলিশ। দীপু হত্যাকান্ডে র্যা ব-এর হাতে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন ১২ জন।
ময়মনসিংহের শিল্প পুলিশ সুপার মহম্মদ ফারহাদ হোসেন খান সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডেলি স্টার’কে জানিয়েছেন, রাত ৮ টার দিকে একজন সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর তাঁকে ঘটনাটি সম্পর্কে জানান। ফারহাদের কথায়, ‘‘আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হই। কিন্তু তত ক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। রাস্তায় অসংখ্য মানুষ ছিলেন। ভিড় ঠেলে যাওয়া কার্যত সম্ভব ছিল না। যখন আমরা কারখানার গেটে পৌঁছোই, তখন দেখি উত্তেজিত জনতা মরদেহটি প্রায় দু’ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’’
পুলিশ আরও জানান, ‘‘ঠিক সময়ে ফোন করলে হয়তো দীপুর প্রাণ বাঁচানো যেত, কিন্তু ফোন আসেনি। কারখানার কোনও কর্তাও যোগাযোগ করেননি।’
রবিবার সকালেই র্যা ব জানিয়েছে, দীপু সমাজমাধ্যমে বা প্রকাশ্যে উস্কানিমূলক কোনও কথা বলেছিলেন, এমন প্রমাণ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তদন্তে নেমে প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে র্যাণবের আধিকারিকেরা জেনেছেন, সে দিন উপস্থিত জনতার কেউই দীপুকে উস্কানিমূলক কিছু বলতে নিজ কানে শোনেননি। সবই অন্যদের কাছে শোনা। জানা গিয়েছে, দীপুর স্মার্ট ফোনও ছিল না। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করার উপায় ছিল না দীপুর।
ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল একটি বিবৃতিতে বলেছেন, দীপুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডে অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাল্টা বিবৃতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিদেশ মন্ত্রক। তাদের দাবি, ময়মনসিংহের ঘটনা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
