ওঙ্কার ডেস্কঃ ময়মনসিংহে হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন করে দেহ গাছে বেধে জ্বালিয়ে দিয়েছে উন্মত্ত জনতা। রীতিমতো উল্লাসে ফেটে পড়তে দেখা গেছে মানুষ্কে। অভিযোগ ছিল, উস্কানিমূলক কথা বলেছিলেন দীপু দাস। কিন্তু তদন্তের পর বাংলাদেশের র্যাছপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র্যাপব জানাল, উস্কানিমূলক কিছুই বলেননি বাংলাদেশে নিহত দীপুচন্দ্র দাস।
ময়মনসিংহ র্যা ব-১৪ কোম্পানির কমান্ডার মহম্মদ সামসুজ্জামান জানিয়েছেন, নিহত যুবক সমাজমাধ্যমে বা প্রকাশ্যে উস্কানিমূলক কোনও কথা বলেছিলেন, এমন প্রমাণ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। তদন্তে নেমে প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন র্যা বের আধিকারিকেরা। জানা গিয়েছে, সে দিন উপস্থিত জনতার কেউই দীপুকে উস্কানিমূলক কিছু বলতে নিজে কানে শোনেননি।
সূত্রের খবর, দীপু স্থানীয় একটি পোশাকের কারখানায় কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থে দীপুকে বাইরে বার করে দেওয়া হয়। মুহূর্তে তাঁকে ঘিরে ফেলে উন্মত্ত জনতা। তারপর তাকে বেধড়ক মারধর করে খুন করা হয়। এর পর দেহটি গাছের সঙ্গে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় তাতে। সেই ভিডিওই ভাইরাল নেটদুনিয়ায়।
দীপুকে খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার রাতে বিবৃতি দিয়ে এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস। ইউনূস বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘ময়মনসিংহের ভালুকায় দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দশ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁদের মধ্যে সাত জনকে গ্রেফতার করেছে র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব) এবং তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ’’।
