ওঙ্কার ডেস্কঃ একদিকে যুদ্ধের আঘাত, অন্যদিকে খামেনেইয়ের মৃত্যু। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরেও দমছে না ইরান। রবিবার অস্থায়ী ভাবে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে বেছে নিল ইরান। সূত্রের খবর, খামেনেইয়ের উত্তরসূরি হিসাবে আপাতত ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁর ঘনিষ্ঠ আয়াতোল্লা আরাফিকে। তিনি ইরানের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্ট্স-এর ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসাবে কর্মরত ছিলেন। একই সঙ্গে ইরানের শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান ছিলেন আয়াতোল্লা আরাফি।
সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর এ বার নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করল তেহরান। স্পষ্ট জানিয়ে দিল, ‘বদলা’ তারা নেবেই। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানান, প্রতিশোধ নেওয়াটা ইরান নিজেদের বৈধ অধিকার এবং আশু কর্তব্য হিসাবে দেখছে এবং এই কর্তব্য পালনে কোনও খামতি রাখবে না তেহরান।
সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদা, সেনাপ্রধান আব্দুল রহিম মৌসাভি এবং এক সেনা কমান্ডারেরও মৃত্যু হয়েছে হামলায়। তাঁদের মৃত্যুর পরে এ বার আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন পেজেশকিয়ান।
জানা গিয়েছে, খামেনেইকে যে খুন করা হতে পারে, সেই আশঙ্কা করছিলেন সর্বোচ্চ নেতা স্বয়ং। সেই মতো পরিকল্পনাও তৈরি করে ফেলেছিলেন তিনি। সূত্র মারফত জানা যায়, খামেনেইকে হত্যা করা হলে জরুরি পরিস্থিতিতে ইরানের দায়িত্ব কাদের উপর থাকবে, তা গত জানুয়ারিতেই স্থির করে ফেলেছিলেন খোদ খামেনেই। লারজানি এবং অন্য মুষ্টিমেয় কয়েকজন অনুগতের উপরে সেই দায়িত্ব অর্পণ করেছিলেন খামেনেই।
রবিবার লারজানির দাবি, “গতকাল আমেরিকা এবং ইজরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। আমরা ওদের উপর এমন হামলা করব, যা ওরা কখনও দেখেনি।” লারজানির এই হুঁশিয়ারির পরে পাল্টা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, “ওরা এমন না করলেই ভাল। কারণ যদি ওরা এমন কিছু করে, আমরাও এমন হামলা করল, যা ওরা কখনও দেখেনি।”
