ওঙ্কার ডেস্ক: নেতানিয়াহু বাহিনীর হামলায় ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হয়েছেন? ইজরায়েলের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সূত্রে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। তেল আভিভের একাধিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি করা হচ্ছে রাতভর ইজরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান। শুধু তাই নয়, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজও লারিজানির নিহত হওয়ার দাবি করেছেন।
লারিজানি নিহত হয়েছেন বলে ইজরায়েলের তরফে দাবি করা হলেও ইরান এখনও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। প্রাক্তন পারমাণবিক আলোচক এবং ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী লারিজানিকে ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে দেখা হয়। যদি এই ইজরায়েলের দাবি সত্য হয়, তবে যুদ্ধের প্রথম দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের পর লারিজানিই হবেন নিহত হওয়া সর্বোচ্চ পদস্থ ইরানি কর্তা। লারিজানি খামেনেইয়ের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। উল্লেখ্য, শুক্রবার তেহরানে কুদস দিবসের সমাবেশে লারিজানিকে সর্বশেষ প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছিল। তার পরেই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সুঙ্গে যুক্ত ১০ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে। যেখানে লারিজানি-সহ ইরানের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্তাদের নাম ছিল। তাঁদের বিষয়ে তথ্য জানালে ১০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পুরস্কারের কথা ঘোষণা করেছিল ওয়াশিংটন।
অন্য দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি মঙ্গলবার লারিজানিকে উদ্ধৃত করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। যেখানে ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করেছেন।
