ওঙ্কার ডেস্ক: সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর হামলা ও খুনের ঘটনা থামছে না বাংলাদেশে। মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সে দেশে আরও এক হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে খুন করা হল। যে ঘটনার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন বজায় রয়েছে।
রিপোর্ট অনুসারে, নিহত যুবকের নাম চঞ্চলচন্দ্র ভৌমিক। তিনি কুমিল্লার বাসিন্দা। নরসিংদীতে একটি গাড়ির দোকানে কাজ করতেন। অভিযোগ, যখন ঘুমাচ্ছিলেন, সেই সময় তাঁকে পুড়িয়ে মারা হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নরসংদীর পুলিশ লাইন্স এলাকায় খানাবাড়ি মসজিদ মার্কেটের কাছে একটি গাড়ির দোকানে কাজ করতেন চঞ্চলচন্দ্র। শুক্রবার কাজ করে দোকানেই ঘুমাচ্ছিলেন তিনি। গভীর রাতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় ওই দোকানে। ভোরে দোকানের ভিতর থেকে তাঁর দগ্ধ দেহ উদ্ধার করা হয়। দোকানের আশপাশে থাকা বিভিন্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা যায়নি। নরসিংদী সদর মডেল থানার ওসি এআরএম আল মামুন জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজে বেশ কয়েক জনকে দেখা গিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে তাঁদের যোগ রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসেন। মূলত ছাত্র জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ে ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি। তার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন মহম্মদ ইউনুস। ইউনুস জমানায় সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বেড়েছে বলে অভিযোগ। ভারতের তরফে একাধিক বার তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। কিছু দিন আগে ময়মনসিংহে দীপু দাস নামের এক যুবককে খুন করা হয়েছিল। তার পর শরীয়তপুরে খোকন দাসকে খুন করা হয়।
