ওঙ্কার ডেস্ক: ফেব্রুয়ারির ৫ তারিখকে ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে পাকিস্তান। এই বিশেষ দিন উদযাপন নিয়ে ইসলামাবাদের দ্বিচারিতাকে নিন্দা করল বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা প্রবাসী কাশ্মীরিরা। তাঁদের অভিযোগ, কয়েক দশক ধরে কাশ্মীরে হিংসা, দমন-পীড়ন এবং মিথ্যা প্রচারণা ঢাকতে ইসলামাবাদ কাশ্মীর সংহতি দিবস পালন করে। শুধু কাশ্মীরিরা নয়, নিন্দা জানিয়েছেন বহু প্রবাসী পাকিস্তানিও।
ইংল্যান্ডের ব্র্যাডফোর্ডে পাকিস্তানি কনস্যুলেটের বাইরে বিক্ষোভ দেখান প্রবাসী কাশ্মীরিরা। ইউনাইটেড কাশ্মীর পিপলস ন্যাশনাল পার্টি (ইউকেপিএনপি)-এর ব্যানারে সেই বিক্ষোভ আয়োজিত হয়। ‘আমাদের রাষ্ট্র আমাদের – দখলদারি মানি না’, ‘জমি দখল বন্ধ কর’ এবং ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ কর’ বলে বিক্ষোভাকারীরা স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, গত ৭৮ বছর ধরে পাকিস্তানের মদতে সন্ত্রাসের কারণে ১,০০,০০০ এরও বেশি কাশ্মীরি প্রাণ হারিয়েছেন। ইসলামাবাদের এই বার্ষিক সহানুভূতি প্রদর্শনকে উপহাস বলে অভিহিত করেছেন তারা। জেকেএনআইএ-এর চেয়ারম্যান মাহমুদ আহমেদ কাশ্মীরি বলেন, পাকিস্তানের বক্তব্য মানুষের প্রতি অপমান। যাদের জাতীয় পরিচয় এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ধারাবাহিকভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। তিনি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নদী, জমি এবং খনিজ সম্পদ দখলের অভিযোগ করেছেন।
উল্লেখ্য, নওয়াজ শরিফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ১৯৯১ সালে ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’ পালনের সূচনা করেন। তার পর থেকে প্রত্যেক বছর ৫ ফেব্রুয়ারিতে এই দিনটি উদযাপন করা হয়। এই দিনে পাকিস্তানের সমস্ত সরকারি অফিসে ছুটি থাকে। ইসলামাবাদের কর্তারা এই দিনটিকে ভারত বিরোধী প্রচার হিসেবে ব্যবহার করে।
