ওঙ্কার ডেস্ক: তেহরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম ইরানের প্রেসিডেন্টের মুখোমুখি হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোমবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে তিনি পশ্চিম এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরন্তর চেষ্টার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।
পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সমস্ত সমস্যার সমাধান আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমেই হওয়া উচিত বলে মত প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। নৌ-চলাচল ও বাণিজ্যের স্বাধীনতা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনও অবস্থাতেই বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক কাঠামোর যেন কোনও ক্ষতি না হয়। উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে পশ্চিম এশিয়ায় প্রায় এক ডজন ভারতীয় নাবিক প্রাণ হারিয়েছেন। বৈঠকের পর সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া সমস্ত প্রচেষ্টাকে ভারত সমর্থন জানাবে। তিনি লেখেন, ‘বিশকেকে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আরও জোরদার করার বিষয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছি। আমরা আগামী দিনে আমাদের বাণিজ্যের পরিধি ও বৈচিত্র বাড়াতে চাই। আমরা পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। দীর্ঘস্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নেওয়া সব চেষ্টাকে ভারত সমর্থন করবে।’
এর আগে জুন মাসে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরির পর প্রধানমন্ত্রী মোদী ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন। সেই কথোপকথনের সময় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান প্রধানমন্ত্রীকে ইরানের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।