ওঙ্কার ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন আগামী সপ্তাহে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় বসবে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই দাবিকে খারিজ করে দিল ইরান। দেশটির বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সাফ জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পরমাণু বৈঠকে বসার কোনও পরিকল্পনা তেহরানের নেই। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
ইরানের তরফে বলা হয়েছে, এর আগে পরমাণু বিষয়ক পাঁচটি বৈঠকে অংশ নিয়েছে তেহরান। তার পরেও ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের পরমাণুঘাঁটিতে আক্রমণ করেছে। তাই এ ধরনের বৈঠক অর্থহীন বলে দাবি করেছে তেহরান। উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইরানের পরমাণুঘাঁটিতে আঘাত হানে ইজরায়েল। তার পর পরমাণু বিষয়ক নির্ধারিত বৈঠক থাকলেও তা ভেস্তে যায়। ১৫ জুন সেই বৈঠক ওমানে হওয়ার কথা ছিল। ইজরায়েলের তেহরান আক্রমণের পিছনে মার্কিন মদত রয়েছে বলে আগে থেকেই দাবি করছিল ইরান। পরে মার্কিন সেনা সরাসরি ইরানের তিন পরমাণুঘাঁটিতে আঘাত হানে। যার জবাব হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের কাতারের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ইরানের বাহিনী।
ইরানের পারমাণবিক ঘাঁটিতে মার্কিন হানা প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক ভিডিয়ো বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিই বলেছেন, ‘এই হামলা অবশ্যই আন্তর্জাতিক আদালতে স্বাধীন আইনি পদক্ষেপের দাবি রাখে। তবে তারা এতে উল্লেখযোগ্য কোনো সাফল্য পায়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ঘটনার বর্ণনায় অতিরঞ্জন করেছেন…আসলে তাঁরা কিছুই অর্জন করতে পারেননি, তাঁদের লক্ষ্যও পূরণ হয়নি।’
