ওঙ্কার ডেস্কঃ আমেরিকার সঙ্গে ইরানের যদি দ্রুত চুক্তি না হয় তাহলে আগামীতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সাক্ষী থাকবে বিশ্ব, এমনই ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পাশাপাশি একটি মার্কিন রণতরী পশ্চিম এশিয়া সংলগ্ন সমুদ্রে মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, চুক্ত না হলে ওই রণতরী কাজে লাগতে পারে।
সূত্রের খবর, ইরানে দীর্ঘ সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিলেই হামলা চালাতে পারে। মার্কিন আধিকারিক সূত্রে খবর, ইরানে প্রায় স্পতাহ খানেক ধরে চলতে পারে মার্কিন সেনার অভিযান। সেভাবেই চলছে প্রস্তুতি। ট্রাম্পের নির্দেশ পেলেই যাতে অ্যাকশন নেওয়া যায়। কিন্তু আমেরিকা চাইছে সমঝোতা হোক দুই দেশের। যুদ্ধ অবধি যেন পরিস্থিতি না গড়ায়।
সূত্র মারফত খবর, ইরানের পারমাণবিক কার্যকলাপ নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি আমেরিকার। গোপনে নাকি পরমানু বোমা তৈরি করছে ইরান, এমনটাই দাবি আমেরিকার। যদিও সেই দাবি নাকচ করেছে ইরান। গত সপ্তাহে আমেরিকা এবং ইরানের কূটনীতিবিদেরা ওমানে আলোচনায় বসেছিলেন। তাতে সমাধানসূত্র বেরোয়নি। শুক্রবার জানা যায়, দ্বিতীয় রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ডকেও পশ্চিম এশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে। এত দিন ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে মোতায়েন ছিল ওই রণতরী। একে ইরানের উপর চাপ বৃদ্ধির কৌশল হিসাবেই দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
এ প্রসঙ্গে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘জেরাল্ড শীঘ্রই পশ্চিম এশিয়ার জন্য রওনা দেবে। যদি আমাদের মধ্যে চুক্তি না-হয়, তবে ওই রণতরী দরকার হতে পারে।ইরানের সঙ্গে চুক্তি কঠিন হচ্ছে। কখনও কখনও ভয় দেখাতে হয়। তা হলেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যায়।’’
