ওঙ্কার ডেস্কঃ বাম আমলে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাম আমলের শিক্ষায় দুর্নীতির প্রসঙ্গ আবার শিরোনামে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জমানায় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ দে অনৈতিকভাবে চাকরি দিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। বুধবার সেই সংক্রান্ত মামলায় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার সবুজ সংকেত দিয়েছেন বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, সরকারি কোষাগারের টাকা অনৈতিকভাবে বিলি করা যায় না। রাজ্য চাইলে তদন্ত শুরু করে সত্য উদঘাটনের পথে হাঁটতে পারে।
২০১২ সালে। সরকার গঠনের এক বছর পর বিকাশ ভবনে বিভাগীয় সহকারী হিসাবে তিথি অধিকারীকে বহিষ্কার করে বর্তমান রাজ্য সরকার। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিথি। সেই মামলাতেই মামলা খারিজের পাশাপাশি, বাম আমলে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জমানায় তাঁরই শিক্ষামন্ত্রী অনৈতিকভাবে চাকরি দিয়েছেন বলে তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ দেয় হাই কোর্ট। সরকারি তহবিল থেকে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী কীভাবে নিয়োগ করলেন, সেই প্রশ্নে রাজ্য চাইলে তার তদন্ত করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি চট্টোপাধ্যায়। আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ, ওই পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া রয়েছে। কিন্তু তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী সেই নিয়মের বাইরে গিয়ে ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে চাকরি দিয়েছেন।
আদালতে তিথির অভিযোগ, তাঁকে কারণ না দর্শিয়ে ও লিখিতভাবে না জানিয়ে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি সেই আবেদন খারিজ করে নির্দেশে জানিয়েছেন, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী তাঁর ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে বেআইনিভাবে ওই পদে নিয়োগ করে অনৈতিক কাজ করেছেন।
