ওঙ্কার ডেস্ক: কিরঘিজস্তানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন বা এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ান। সেই বৈঠকের পরই ভারত-ইরান সম্পর্ক নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিল তেহরান। নয়াদিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘ঐতিহাসিক’ এবং ‘দীর্ঘস্থায়ী’ বলে উল্লেখ করেছে ইরান। একইসঙ্গে ভারতকে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবেও তুলে ধরেছে দেশটি।
সম্প্রতি ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এক সাংবাদিক বৈঠকে মোদি-পেজেসকিয়ান বৈঠকের প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে দুই রাষ্ট্রনেতার আলোচনায় চাবাহার বন্দর-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। বাঘাই বলেন, ভারতের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক বহু পুরনো। দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক এবং সভ্যতাগত যোগ রয়েছে। তাই নয়াদিল্লির সঙ্গে সম্পর্ককে তেহরান বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র আরও জানান, ভারত একইসঙ্গে এসসিও এবং ব্রিকসের সদস্য। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা-সহ একাধিক ক্ষেত্রেও দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আগামী ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। সেই সম্মেলনে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেসকিয়ানের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তার আগে ভারতের প্রশংসায় তেহরানের এই বার্তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।