ওঙ্কার ডেস্ক : জম্মুতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। সেখানেই হঠাৎ তাঁকে নিশানা করে গুলি চালায় এক ব্যক্তি। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা হাতেনাতে ধরে ফেলে ওই আততায়ীকে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনায় অক্ষত রয়েছেন ফারুক আবদুল্লা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও।
কমল সিং জামওয়াল নামে চিহ্নিত হামলাকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা গেছে যে তাকে ধরার পরপরই লোকজন তাকে মারধর করছে।
গ্রেপ্তারের পর, আক্রমণকারীকে চেয়ারে বসে পুলিশকে বলতে দেখা যাচ্ছে যে সে জম্মুর পুরানাস মান্ডির বাসিন্দা। ৬৫ বছর বয়সী হামলাকারীর মনে হচ্ছে আর কোনও উপায় নেই এবং তিনি জানিয়েছেন যে তিনি গত ২০ বছর ধরে এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
জম্মুতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা। সেখানেই আচমকা কয়েক পা দূর থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চলে। কার্যত বরাত জোরে প্রাণে বেঁচেছেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুরেন্দ্র চৌধুরীও। হঠাৎই সেখানে গুলির শব্দ শোনা যায়। গুলি ছোড়ার ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে। ফারুক আবদুল্লা বলেছেন, এক ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঈশ্বরের কৃপায় তিনি অক্ষত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের আরেক নেতা রতন লাল গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমাদের সাহেব নিরাপদে আছেন। এটি সত্যিই একটি গুরুতর ঘটনা ছিল, কিন্তু ঈশ্বরই আমাদের সাহায্য করেন। এর একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত…”। এই অভাবনীয় ঘটনার কথা X-এর একটি পোস্টে লিখেছেন ফারুকের পুত্র, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা।

ঘটনার প্রাথমিক অবস্থা সামলে উপস্থিত অতিথিরা হাতেনাতে ধরে ফেলেন আততায়ীকে। জানা গেছেন, তাঁর নাম কমল সিং জামওয়াল। হামলাকারীকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ হেফাজতে নেয়। ঘটনাস্থলের ভিডিওতে দেখা গেছে যে তাঁকে ধরার পরই অনুষ্ঠানে উপস্থিত লোকজন তাঁর উপর চড়াও হন। মারধর শুরু করেন। গ্রেপ্তারের পর আক্রমণকারীকে জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে তিনি জম্মুর পুরানাস মান্ডির বাসিন্দা। বয়স ৬৫ বছর। ধরা পড়ার পর আততায়ীকে নির্বিকার থাকতে দেখা গেছে। তিনি জানিয়েছেন, গত ২০ বছর ধরে এই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। কী কারণে তিনি গুলি চালিয়েছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ইতিমধ্যে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে এমন ঘটনা ঘটায় প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জম্মুর রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
