বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। যদিও তার বহু আগে থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে বেজে গেছে নির্বাচনের ভেরী। এই আবহে গেরুয়া শিবিরে ধস! তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে শতাধিক বিজেপি কর্মী-সমর্থক জোড়াফুল শিবিরে যোগদান করলেন। ছাব্বিশের ভোটের আগে ঝাড়গ্রামে ধাক্কা খেল পদ্ম ব্রিগেড। সেই সঙ্গেই এতে তৃণমূলের মনোবল আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
রবিবার ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের খড়িকামাথানিতে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলোনিতেই ঘটে গেলো এই দলবদলের তোড়জোড়। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন তৃণমূলের অসংখ্য দলীয় কর্মী ও সমর্থক। সেই অনুষ্ঠানে লক্ষ্য করা যায় বহু গণ্য মান্য ব্যক্তির সমাহার এবং তার সঙ্গে কার্যত চমক লাগিয়ে বিজেপি ছেড়ে শতাধিক কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন তৃণমূলে।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা নয়াগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক দুলাল মুর্মু, গোপীবল্লভপুর বিধানসভার বিধায়ক ডা. খগেন্দ্রনাথ মাহাতো, নয়াগ্রাম ব্লক তৃণমূল সভাপতি রমেশ রাউৎ, জেলা পরিষদের মেন্টর স্বপন পাত্র সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব। এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে একাদিক গুণীজনেদের সমর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি একই মঞ্চে শতাধিক বিজেপি কর্মীর হাতে তৃণমূল পতাকা তুলে দেন তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সংগঠন মজবুত করার লক্ষ্যে তৎপর শাসক দল। এদিন বিরোধী দল থেকে একসঙ্গে এত কর্মী যোগদানের ফলে শাসক দলের মনোবল বাড়বে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
